হাদিস শাস্ত্র
فَذَكِّرۡ إِنَّمَآ أَنتَ مُذَكِّرٞ ও মুহাম্মাদ সাঃ আপনি উপদেশ দিন; আপনি একজন উপদেশ দাতা
لَّسۡتَ عَلَيۡهِم بِمُصَيۡطِرٍ আপনি এদের কারও কর্মনিয়ন্ত্রক বা শাসক নন।
إِلَّا مَن تَوَلَّىٰ وَكَفَرَ আপনার উপদেশ পেয়ে যে কুফরি করবে
فَيُعَذِّبُهُ ٱللَّهُ ٱلۡعَذَابَ ٱلۡأَكۡبَرَ আল্লাহ্ তাদেরকে কঠোর দণ্ডে দণ্ডিত করবে
Extra Line
إِنَّ إِلَيۡنَآ إِيَابَهُمۡ নিশ্চয় তাদের ফিরে আসতে হবে আমার কাছেই
ثُمَّ إِنَّ عَلَيۡنَا حِسَابَهُم তারপর তাদের হিসেব-নিকেশ আমার হাতেই
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
عن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال
كُلُّ أُمَّتِي يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ إِلَّا مَنْ أَبَى»، قَالُوا: يَا رَسُولَ اللهِ، وَمَنْ يَأْبَى؟ قَالَ: «مَنْ أَطَاعَنِي دَخَلَ الْجَنَّةَ، وَمَنْ عَصَانِي فَقَدْ أَبَى
“আমার সকল উম্মত জান্নাতে যাবে, যে অস্বীকার করবে সে ব্যতীত।” তারা জিজ্ঞেস করলেন, কে অস্বীকার করবে? তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “যারা আমার আনুগত্য স্বীকার করেছে তারা জান্নাতে যাবে। আর যে আমার নাফরমানী করল সেই অস্বীকার করল।”
[সহীহ] - [এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।] - [সহীহ বুখারী - 7280]
ইয়া ইবনা আদামা! লাও বালাগাত জুনুবুকা আনানাস সামা-ই, ছুম্মাসতাগফারতানী, গাফারতু লাকা ওয়ালা উবালী। হাদিসে কুদসি
অর্থ: "হে আদম সন্তান! তোমার পাপ যদি আকাশ পর্যন্তও পৌঁছে যায়, এরপরও যদি তুমি আমার কাছে ক্ষমা চাও, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেবো এবং আমি (তোমাকে ক্ষমা করার ব্যাপারে) কোনো পরোয়া করি না।"
اِلَّا مَنۡ تَابَ وَاٰمَنَ وَعَمِلَ عَمَلًا صَالِحًا فَاُولٰٓئِکَ یُبَدِّلُ اللّٰہُ سَیِّاٰتِہِمۡ حَسَنٰتٍ ؕ وَکَانَ اللّٰہُ غَفُوۡرًا رَّحِیۡمًا
তবে কেউ তাওবা করলে, ঈমান আনলে এবং সৎকর্ম করলে, আল্লাহ এরূপ লোকদের পাপরাশিকে পুণ্য দ্বারা পরিবর্তিত করে দেবেন। ৩২ আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। আল ফুরকান সূরা নং: ২৫, আয়াত নং: ৭০
إِنَّ بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكَ الصَّلَاةِ
জাবির রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি,
“বান্দা এবং শিরক ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সালাত ছেড়ে দেয়া”। সহীহ মুসলিম - 82
"ইন্নাল্লাহা ইয়াগফিরুজ জুনুবা জামিয়া" (إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا) এর অর্থ হলো—"নিশ্চয়ই আল্লাহ সমস্ত পাপ ক্ষমা করেন"
এটি পবিত্র কুরআনের সূরা আজ-জুমারের ৫৩ নম্বর আয়াতের (إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا ۚ إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ) একটি অংশ, যা আল্লাহর অসীম ক্ষমা ও দয়ার কথা প্রকাশ করে। তবে শর্ত হলো, আন্তরিকভাবে তওবা করা।
https://www.youtube.com/watch?v=pVqqW0mEBbQ
ইন্নাল মুজরিমিনা ফী আযাবি জাহান্নামা খালিদুন" (إِنَّ الْمُجْرِمِينَ فِي عَذَابِ جَهَنَّمَ خَالِدُونَ
নিশ্চয়ই অপরাধীরা জাহান্নামের আযাবে চিরকাল থাকবে। সূরা আয-যুখরুফের ৭৪ নম্বর আয়াত
"খাইরুকুম মান তা‘আল্লামাল কুরআনা ওয়া ‘আল্লামাহু" (خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ) একটি বিখ্যাত হাদীস, যার অর্থ: "তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যে নিজে কুরআন শিখে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়" [০.৫.২]। এটি সহীহ বুখারী শরীফে বর্ণিত হাদিস (হাদিস নং ৫০২৭)
মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
أَلاَ أُخْبِرُكَ بِرَأْسِ الأَمْرِ كُلِّهِ وَعَمُودِهِ وَذِرْوَةِ سَنَامِهِ " . قُلْتُ بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ . قَالَ " رَأْسُ الأَمْرِ الإِسْلاَمُ وَعَمُودُهُ الصَّلاَةُ وَذِرْوَةُ سَنَامِهِ الْجِهَادُ
আমি কি সমস্ত কাজের মূল, স্তম্ভ ও সর্বোচ্চ শিখর সম্পর্কে তোমাকে অবহিত করব না? আমি বললাম, হ্যাঁ, ইয়া রাসূলুল্লাহ! তিনি বললেন:
(১) সকল কাজের মূল হলো ইসলাম,
(২) স্তম্ভ হলো সালাত এবং
(৩) সর্বোচ্চ শিখর হলো জিহাদ। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (৩৯৭৩)।
إِنَّ أَوَّلَ مَا يُحَاسَبُ بِهِ الْعَبْدُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ عَمَلِهِ صَلَاتُهُ ইন্না আওয়ালা মা ইউহাসাবু বিহিল আব্দু ইয়াওমাল কিয়ামতিস সালাহ।
কেয়ামতের দিন বান্দার আমলগুলোর মধ্যে সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব নেওয়া হবে
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাঃ রাসুল সাঃ কে জিজ্ঞেস করলেন-
আইয়ুল আমাল আহাব্বু ইলাল্লাহ, আস সলাতু আলা অয়াক্তিহা
ইয়া রাসুল সাঃ আপনি আমাকে বলেন তো, আল্লাহ্র কাছে কোন আমলটা সব চাইতে প্রিয়? তিনি সাঃ বললেন - আল্লাহর কাছে এই পৃথিবীর সবচাইতে প্রিয় আমল হল বান্দা সময়মত নামাজ পড়ে।
সাইদ ইবনে মুসায়্যিদ রাঃ থেকে বর্ণিত, রাসুল সাঃ বলেছেন - বাইনানা ওয়া বাইনাল মুনাফিক্বীনা শুহুদিল ইশা অয়াস সুবহ লা ইয়াসতাতিয়ুনা হুমা
রাসুল বলেছেন- আমাদের এবং মুনাফিকদের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে, তারা মুনাফিকরা এশা এবং ফজরে উপস্থিত হতে পারেনা। মুনাফিকরা এবং আমরা, আমাদের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে ইশা এবং ফজরে উপস্থিত হওয়া।
اِنَّ الۡمُنٰفِقِیۡنَ فِی الدَّرۡکِ الۡاَسۡفَلِ مِنَ النَّارِ ۚ وَلَنۡ تَجِدَ لَہُمۡ نَصِیۡرًا ۙ ইন্নাল মুনাফিক্বীনা ফিদ্দারকিল আসফালি মিনান্নার। ফালান তাজিদালাহু নাচিরা
নিশ্চয়ই মুনাফিকরা জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে থাকবে এবং তুমি তাদের পক্ষে কোনও সাহায্যকারী পাবে না।
No comments